সিএএ এর প্রতিবাদে ইন্দোরে ৮০ বিজেপি সংখ্যালঘুকর্মীর পদত্যাগ, এ রাজ্য নিরাপদই দাবি নেতৃত্বের

0
80 BJP minorities resign in Indore in protest of CAA

টাইমস বাংলা নিউজডেস্ক : বিজেপির অন্দরে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কে ঘিরে কোন্দলের জেরে ইন্দোর বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেছেন ৮০ জন সংখ্যালঘু সেলের নেতা। তবে এদিক থেকে পশ্চিমবঙ্গ যে একেবারেই নিরাপদে রয়েছে তা জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলী হোসেন। তবে শুধুমাত্র সেফ সাইডেই নয়, গত বছরের তুলনায় এবছর বিজেপির সংখ্যালঘু সেলের মেম্বার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার রাজ্য বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলী হোসেন জানান, আগের বছরে রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার কর্মীদের সংখ্যা ছিল ২২ হাজার, এবছর সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার লক্ষতে। এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট যাবতীয় রাজনৈতিক প্রভাব থেকে সেভ সাইডে রয়েছে বিজেপির সংখ্যালঘু সেল। বরং সংখ্যালঘুরাও যে বিজেপিকে চাইছে এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ দেয়।

এদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে ঘিরে কোন্দলের জেরে ইন্দোর বিজেপি থেকে যে ৮০ জন সংখ্যালঘু সেলের নেতা পদত্যাগ করেছেন তাদের দাবি, হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ না করে সরকারের উচিত বেকারত্ব ঘোচানোর দিকে নজর দেওয়া। যদিও এবিষয়ে কিছুটা অন্য মত ব্যক্ত করেন আলী হোসেন। আলী হোসেনের কথায়, ” ইন্দোরে কারা কারা পদত্যাগ করেছেন তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। তবে এই পদত্যাগ সিএএ সম্পর্কে ভুল বোঝার কারণেই হয়েছে।

যদিও রাজ্য এদিক থেকেও সেফ সাইডে রয়েছে। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই সি এএ সম্পর্কে সংখ্যালঘুদের থেকে ভুল ধারণা দূর করতে তিনি নিজে বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিযান চালিয়েছেন। এই অভিযানের দরুন যথেষ্ট ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে সংখ্যালঘুদের তরফ থেকে। মোর্চা সংখ্যালঘু সভাপতির কোথায়, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সম্পর্কে ভুল ধারণা থেকেই সংখ্যালঘুদের মনে ভয়ের সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু লাগাতার অভিযানের ফলে সেই ভুল ধারণা দূর করা গিয়েছে বলে তার মত ।

তবে এতকিছুর মধ্যেও সাধারণ মানুষকে সজাগ করতে পারলেও দলের অন্দরে সংখ্যালঘুদের কতটা আশ্বস্ত করতে পেরেছে রাজ্য বিজেপি এ বিষয়ে অনেকদিন আগে থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে জনসাধারণের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত, বেশ কয়েক মাস আগে দলে যোগ দিয়েছিল মনিরুল ইসলাম। কিন্তু ওই সংখ্যালঘু হওয়ার কারণ দেখিয়ে দলের অন্দরে শুরু হয়েছিল কোন্দল। এরপর আর দলের কোনো অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে মনিরুল রয়েছেন দলের অন্দরেই, এদিন এমনটাই জানান মোর্চা সংখ্যালঘুর সভাপতি আলী হুসেন। তিনি আরো জানান, তৃণমূলের বিধায়ক হওয়ায় এখন সেই দিকেই মনোযোগ দিতে বলা হয়েছে মনিরুল ইসলামকে। এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তাকে কাজে লাগাবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। যদিও সূত্রের খবর, বিজেপিতে বেশি ‘ মাখামাখি ‘ করলে নিজের এলাকায় ঢুকতে না পারার ভয় রয়েছে মনিরুলের তাই ই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না তাঁকে। কারণ সেই বিজেপির উগ্র ‘ হিন্দুত্ব ‘ ।