মাধ্যমিকে আল-আমীন মিশনের পরীক্ষার্থীদের জয়জয়াকার, কি বলছেন সফল ছাত্র ছাত্রী থেকে জনাব নুরুল ইসলাম সাহেব? দেখুন টাইমস্ বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

0
al ameen mission

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাইমস্ বাংলা, কলকাতা: পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর শিক্ষা আন্দোলনের পীঠস্থান বলে পরিচিত আল-আমীন মিশনের এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাফল্য অনবদ্য।সকলকে বিশ্মিত করেছে এইবারের মিশনের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল।ধারাবাহিক ভাবে ছাত্রছাত্রীদের এই অসামান্য সাফল্য আল-আমীন মিশনের উৎকর্ষতাকেই প্রমাণ করল। প্রত্যাশা মতোই মিশনের এই বছরের মাধ্যমিকের সাফল্যের হীরকদ্যুতি দেশের আপামর মানুষের এখন নজর কাড়ছে।বিশেষকরে সহায় সম্বলহীন দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই মিশন জীবনযুদ্ধের আশ্রয় ভূমিতে পরিনত হয়েছে।

মাধ্যমিকে ৬৭৩ নম্বর পেয়ে আল-আমীন মিশন পরিবারের তৃতীয় আফতাব মোল্লা:

২০১৯ সালে আল-আমীন পরিবারে খলতপুর সহ ৩৯ টি শাখায় বালক বালিকা মিলে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল ১৫০৭ জন।এদের মধ্যে ৩১০ জনই ৯০% উপরে  এবং ১২১৩ জন ৭৫% নম্বর পেয়েছে।মিশনের বেলপুকুর শাখার ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন ৬৭৭(৯৬.৭১%) নম্বর পেয়ে মিশনের প্রথম হয়েছে।রাজ্যতে তার স্থান চতুর্দশ।মিশনের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছে পাথরচাপুড়ি,বীরভূম শাখার আশিক ইকবাল,তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৬(৯৬.৫৭%)।খলতপুরের আখতারা পারভিন  ৬৭১(৯৫.৮৫%) নম্বর পেয়ে মিশনের তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। আখতারা পারভিন ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নের প্রথম সোপান অতিক্রম করল,তার বাবা পেশায় প্রাইমারি শিক্ষক।

http://nabadiganta.net/

মিশনের চতুর্থ স্থানে আছে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মহম্মদ আজিম আরশাদ,তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৬৮(৯৫.৫)। এই দৃঢ় প্রত্যয়ের বালকটি পঞ্চম শ্রেণী থেকেই মহম্মদপুর শাখায় পড়াশুনা করছে।সে অত্যন্ত গর্বিত মিশের পারিবারিক হৃদ্যতার পরিবেশ ও আদর্শ শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য।

আল-আমীন মিশনের নজরকাড়া সাফল্যের পর কি বললেন মিশনের প্রাণপুরুষ নুরুল ইসলাম ?

পঞ্চম স্থানে আছে একেবারে হতদরিদ্র পরিবারের নূরজামান শেখ।তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৬৫(৯৫%),দিন আনে দিন খায় পরিবারের নূরজামানের পিতা মইনুদ্দিন শেখ একজন পাথর মিস্ত্রী,ষষ্ঠ শ্রেণীতে মিশনে সে ভর্তি হয়ে, মিশন তার লেখাপড়ার দায়ভার গ্রহন করে। সেই নিদারুণ দরিদ্র পরিবারের নূরজামান আল-আমীন মিশনের জন্যই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছে।

এছাড়া মেদিনীপুর শাখার মিজানুর রহমান খান ৬৫৯(৯৪.১৪)এবং শেখ নাসিবুদ্দিন ৬৫৬(৯৪.১৪%)নম্বর পেয়েছে। দুজনেই ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারে সন্তান।জীবনপুর শাখার ওয়াহিদ আকতার মোল্লোর প্রাপ্ত নম্বর ৬৫৬। মেদিনীপুর শাখার আরেক উজ্জ্বল নক্ষত্র সাধারন কৃষক পরিবারের সন্তান যে আইপিএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখে মাসুদ মণ্ডল, তার প্রাপ্ত নম্বর ৫৯৯(৮৫৫৭%)

এই ভাবেই তিন দশক ধরে আল-আমীন মিশন পথে পড়ে থাকা ধূলার মধ্যে হীরকের সন্ধানে রত আছে।তাইতো মানুষ অবাক দৃষ্টিতে আল-আমীন মিশনের পানে নিষ্পলক তাকিয়ে থাকে।

আল-আমীন মিশনে নজরকাড়া ফলাফল মেয়েদের। কি বলছে সাবরিনা ইসলাম? দেখুন টাইমস্ বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার: