রাজ্য জয়েন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং এ আল আমীন মিশনের দুরন্ত সাফল্য, মিশনের প্রথম আবু হাসান গাজী

0
Al Amin Mission's success in State Joint Engineering, the first mission of Abu Hasan Gazi

টাইমস বাংলা নিউজডেস্ক : যেকোনো কঠিন পরীক্ষা সেটা মাধ্যমিক হোক বা উচ্চমাধ্যমিক বা সর্ব ভারতীয় নিট, আল আমীন মিশনের কৃতি ছাত্রছাত্রীদের সাফল্য সবসময়ই নজরকারা। জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগেও আল আমীনের ফলাফলেও চূড়ান্ত সাফল্য প্রশংসনীয়।
৩৯৩ রাঙ্ক করে মিশনে প্রথম স্থান অধিকার করেছে আবু হাসান গাজী। সে দঃ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগর থানার উত্তর দুর্গাপুরের বাসিন্দা। বাবা উচ্চমাধ্যমিক পাস আবদুর রশিদ মোল্লা ও মা মাধ্যমিক পাস হাসনা বানু। শ্রমজীবি পরিবারের সন্তান আবু হাসান গাজী। সে খলিসানী শাখার ছাত্র। ২০১৭ সালে ৯০.৭% এবং এবছর ৮৯.৪% নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে। তাঁর সাফল্যে মিশনে ও তাঁর বাড়িতে আজ খুশির আমেজ।

মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার সইফ রাজ রাজ্য জয়েন্টে ৪০২ এ রাঙ্ক করে (ওবিসি তে ৬) মিশনের সূর্যপুর শাখায় প্রথম হয়েছে। তাঁর বাবা স্নাতক মইদুল ইসলাম এবং মা মাধ্যমিক পাস সাহিদা বেগম। ছাত্রটি ২০১৭সালে মাধ্যমিকে ৮৯% পেয়েছে এবং এবছর উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞানবিভাগে ৯০% নম্বর পেয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিঙে সইফের এই সাফল্যে বাড়িতে খুশির হাওয়া।
ওই একই শাখার মুইন নাসিফ ৪০৩ রাঙ্ক করে দ্বিতীয় হয়েছে (ওবিসি ৭) । তার বাবা মনিরুল ইসলাম পেশায় শিক্ষক এবং মা নিলুফা ইয়াসমিন গৃহবধূ। তাঁরা উঃ ২৪ পরগনার কৈখালীর বাসিন্দা।
এই শাখায় তৃতীয় হয়েছে মাকসেদুল রহমান মোল্লা ৪৫৬ রাঙ্ক করে। সে দঃ ২৪ পরগনার মগরাহাটের বেড়ামারা গ্রামের এক সামান্য সেলসম্যান হাসানুর জামান মোল্লার সন্তান ।
মিশনের নয়াবাজ শাখায় প্রথম হয়েছে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার খড়িবোনা গ্রামের উচ্চ মাধ্যমিক পাস মুদি দোকানদার উজির শেখ ও গৃহবধূ রুবিয়ারা খাতুনের সন্তান মহম্মদ রুম্মানুজামান। তার রাঙ্ক ৫৫৩ (ওবিসি ১৩)। ছাত্রটি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে যথাক্রমে ৯১.২% এবং ৮৫.৮% নম্বর পেয়েছিল। নিম্নবিত্ত পরিবারের এই ছাত্রটি মিশনের আর্থিক সহায়তায় পড়াশুনা করে এই সাফল্য অর্জন করেছে। এই শাখায় দ্বিতীয় হয়েছে নদিয়ার তেহট্টের আসাফ আলী খান। রাঙ্ক ১৫৯৩।
আল আমীনের প্রাণপুরুষ নুরুল ইসলাম সকল সফল পড়ুয়া দের মুবারকবাদ জানিয়েছেন।