আসিফার পরিবার কি বিচার পাবে?

0

মহম্মদ ঘোরী শাহ্,টাইমস্ বাংলা : একি দেখল ভারতবাসী? কতকগুলি লোক মিলে একটি বিশেষ ‘ধ্বনি’ উচ্চারণ করলেই দেশের আইন কানুন সংবিধান কে দুমড়ে- মুচড়ে ফেলা যায়।কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া কাশ্মীরের কাথুয়াতে আট বছরে বালিকাকে রেপ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের সমর্থনে হিন্দু একতা মঞ্চের র্যালি যেন ঐ প্রক্রিয়ার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

সংবাদে প্রকাশ,কাশ্মীরের কাথুয়াতে আট বছরের এক মুসলিম বালিকাকে সাতজন দানব একট মন্দিরে আটকে রেখে ক্রমাগত ধর্ষণ করে।বেশ কয়েকদিন ধরে ধর্ষণ চলার পর ঔষধ প্রয়োগ করে হত্যা করাহয় এবং তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়।এর পরেও পিশাচরা মৃতকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনা ঘটার পর কাশ্মীর পুলিশ যখন চার্জসিট জমা করতে যায় তখন তাদের বাধাদেয় হিন্দু একতা মঞ্চ নামে একটি পৈশাচিক সংঘঠন।তারা অভিযুক্তদের সমর্থনে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি ঊচ্চারণ করে।পুলিশ এই ঘটনায় মন্দিরের সেবক সঞ্জি রাম,স্পেশাল পুলিশ অফিসার দীপক খেজুরিয়া এবং সুরেন্দর ভার্মা,সাব্ ইন্সপেক্টর আনন্দ দত্ত,হেড কনস্টবল তিলক রাজ ও সিভিলিয়ান প্রকাশ কুমার এবং সঞ্জি রামের ভাইপো কে চার্জসিটে অভিযুক্ত করে।

এখন ঘটনাটি যেভাবে যে স্থানে ঘটেছে ধর্মভীরুদের কেন নাস্তিকদেরও রোম হর্ষিত হবে। অথচ সাম্প্রদায়িক উন্মাদনার সৃষ্টি করে বিচার প্রক্রিয়ার বাধা দানের প্রচেষ্টা করা হয়েছে।হিন্দু একতা মঞ্চের এই র্যালিতে কেবল সাধারনেরা অংশ গ্রহন করেছে তা নয়, মেহবুবা সরকারের দুই মন্ত্র( বিজেপি বিধায়ক) ও বার এ্যাসোশিয়েশনের কিছু  সদস্য।

একবার ভেবে দেখুন চেতনা ও রাজনীতি কোন স্তরে পৌঁছালে পৈশাচিক ধর্ষণ ও খুনের সমর্থনে হাতে ত্রিরঙা নিয়ে মানুষ রাস্তায় নামে? আপনি কি অনুধাবন করতে পারছেন, দেশে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে?সবকিছুর উপরে যখন দেশের সংবিধান ও আইন কানুন তখন কেন আপনি এখনো আপনি নিরব?দেশভক্তির পরিচয় দিতে আপনার মাঠে নামতে দেরী হচ্ছে না তো?