প্রথমবারেই সিবিএসই তে আল-আমীন মিশনের নজর কাড়া ফলাফল

0

নিউজডেস্ক,টাইমস্ বাংলাঃ  দিশাহীন, হতদরিদ্র পিছিয়ে পড়া সমাজের গতির অভিমুখ পরির্তনের কাজে নিরলস সংগ্রামের কথা উঠলেই সর্বাগ্রে আল-আমীনের নামটাই উচ্চারিত হয়।তিন দশক আগে হাওড়ার খলতপুরকে কেন্দ্র করে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে আর্থ-সামাজিক অন্ধকার হতে তুলে আনার জন্য আল-আমীন মিশন যে শিক্ষা আন্দোলন শুরু করেছিল তা আজ ফল-পুষ্পে শ্রীমণ্ডিত হতে শুরু করেছে।সম্প্রতি সিবিএসই র ঘোষিত দশম, দ্বাদশের আল-আমীন মিশনের ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফল সকলের নজর কাড়ল।

al ameen mission
প্রথমবারের মত এই বছরই আল-আমীন মিশনের ইংরেজি মাধ্যমের শিলিগুড়ু,খড়্গপুর ও বিহারের পাটনা শাখার ছাত্র-ছাত্রীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। আর এই বছরে শিলিগুড়ি থেকে ৪ জন,খড়্গপুর থেকে ২ জন পাটনা থেকে ১ জন ৯০% এর বেশি নম্বর পেয়ে আল-আমীনের পরীক্ষার ফলাফলের ঐতিহ্যকে বজায় বেখেছে।এবারে সিবিএসই বোর্ড  পরীক্ষা দিয়েছিল মোট ৪৮ জন, এর মধ্যে ৭ জন ৯০%,১৯জন৮৫% এর বেশি, ৩০ জন ৮০% এর বেশি,৩৪ জন ৭৫% এর বেশি এবং ৭০% এর বেশি পেয়েছে ৪১ জন।

আল-আমীন মিশনের ৪০ জন অনন্য প্রাক্তনীকে দেখেনিন একনজরে:

শিলিগুড়ি শাখার তৌফিক ইসলাম চৌধুরী ৯৫.২ %,নম্বর পেয়ে মিশনের প্রথম স্থান দখল করেছে। ঐ শাখারই সুবিত নুমান ৯৪%  ইকরাম ইসলাম মণ্ডল ৯৩.৪%, মেহেবুব আলম ৯২.৪% নম্বর পেয়েছে।খড়্গপুর শাখার সরতাজ আলি খান ৯২.৪%, শেখ জাহিন মুজাহিদ ৯১.৮% নম্বর পেয়েছে।পাটনা শাখার রাবিয়া বাসরি ৯২.২% নম্বর পেয়ে মেয়েদের প্রথম হয়েছে।

সিবিএসই তে দ্বাদশ শ্রেনিতেও,আল-আমীনের  ফলাফল সন্তোষজনক। মিশনের রাঁচি বয়েজ ও পাটনা গার্লসের মোট ৪৫জন ছাত্র-ছাত্রী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।এদের মধ্যে ৯০%+ ১ জন,৮৫%+ ৬ জন,৮০%+১৩জন,৭৫%+২৪জন,৭০%+৩৪জন নম্বর পেয়েছে।রাঁচি শাখার মামুনূর রহমান৯২.৬%, পেয়ে দ্বাদশে মিশনের প্রথম এবং পাটনা শাখারই সাবাখলুদ আলম ৮৭% নম্বর পেয়ে মেয়েদের প্রথম হয়েছে।

আরো পড়ুন :   সিবিএসই বোর্ডে রাজ্যের প্রথম ও দেশের তৃতীয় মালদার সুমাইতা

আল-আমীন মিশনকে নিয়ে সাংবাদিক মিজানুর রহমান রোহিতের লেখা একটি হৃদয়কাড়া গান:

মিশনের সাধারণ সম্পাদক এম নুরুল ইসলাম এই ফলাফলে খুশি,বিশেষ করে প্রথমবারে দশম শ্রেণির ফলাফলে।তিনি জানান,চলতি বছরে আরো তিনটি ইংরেজি মাধ্যমের ক্যাম্পাস চালু হয়েছে।সেগুলি হল বীরভূমের পাথরচাপড়ি(বয়েজ ৫-৯),হাওড়ার পাইক পাড়া, শিলিগুড়ির আশরফনগর (গার্লস ৫-৯)