সিএএ ইস্যুতে কলকাতা পুরসভার সামনে চলা ধর্ণা বলপূর্বক তোলার চেষ্টার অভিযোগ, মেয়রের কটাক্ষ

0
CA Mayor accused of trying to force Kolkata Municipal Council to step down

টাইমস বাংলা নিউজডেস্ক : নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ইস্যুতে তোলপাড় গোটা দেশ। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় প্রত্যেক দিনই নাগরিকত্ব আইন তথা এনআরসির বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা পুরসভা সংলগ্ন রাস্তাতেও আজ তিন দিন দুই রাত ধরে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন সংখ্যালঘু ছাত্র যুব মহিলারা। কিন্তু ছন্দপতন ঘটল এদিন। শনিবার বেলা একটা নাগাদ কলকাতা পুলিশ সেই ধর্ণা বলপূর্বক তুলে দিতে গেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। যদিও শেষমেষ তাদের ওখান থেকে তোলা যায় নি।

শনিবার এই ঘটনার পর থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, ‘কাগজ আমরা দেখাবো না’ শব্দ ব্যবহার করে প্রায় প্রতিদিনই নিয়ম করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার দলের ছাত্র সংগঠনের মঞ্চে গিয়ে বসছেন বক্তব্য রাখছেন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিপক্ষে। এমতাবস্তায় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও এনআরসির বিরুদ্ধে যারা বিক্ষোভ করছেন, বিক্ষোভ কিভাবে ভাঙতে আসে মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশ, এবিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে জনসাধারণের মধ্যে। যদিও এ বিষয়ে মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যেকোনো জায়গায় হঠাৎ করে বসে পড়লেই আন্দোলন করা যায় না। রাজনৈতিকভাবে তার মোকাবিলা করতে হবে, আর তার পথ দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।”

এদিকে, শেষ পুরসভার শেষ অধিবেশনেই তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির আঁতাতের অভিযোগ তুলে কাউন্সিলর ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান। প্রস্তাবের কাগজ ছিঁড়ে ফেলেন এবং অধিবেশন ওয়াক আউট করে বেরিয়ে যান। মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং চেয়ারপারসন মালা রায়ের ঘরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বাম কাউন্সিলররা। তারপরেই আরও একধাপ এগিয়ে কলকাতা পৌরসভার ওয়েবসাইটে দেখা যায় এনপিআরের ফ্রম।

অবশেষে এদিন সি এ এ এর বিরুদ্ধে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ভূমিকা দেখে এদিন ফের একবার তৃণমূল-বিজেপি আঁতাত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে জনসাধারণের মধ্যে।