রিয়াধের সকল স্বার্থ ইসরায়েল রক্ষা করতে পারবে তো?

0


মহম্মদ ঘোরী শাহ্ : 
সৌদি ক্রাঊন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতায় আসার পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্র নीতিই ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছো। বিশেষ করে ইস্রায়েলের সঙ্গে আর্থিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক সহযোগিতা শুরু হয়েছে।
ইস্রায়েলी দৈনিক ‘হারেত্জ’ এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে সৌদি আরব কে ইস্রয়েলের বিস্বস্ত ও ঘনিষ্টতম বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।খবরে প্রকাশ, বর্তমানে সৌদি সরকার অনেক পণ্য মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশ গুলিতে আর সরাবরাহ না করে এখন ইস্রায়েলকে সরাবরাহ করছে।
অন্যদিকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। যখন সৌদি আরব কাতারের উপর সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল তখন ইস্রায়েল সৌদি আরবের এই নीতিকে সমর্থন দিয়েছিল। এছাড্া ট্রাম্পের জেরুজালেমকে ইস্রায়েলের রাজধানी হিসাবে ঘোষণার পূর্বে ফিলিস্থিন স্বশাসন কতৃপক্ষকে অর্থের বিনিময়ে জেরুজালেমের উপর দাবি পরিত্যাগের পরামর্শ ঐ সৌদি আরবই দিয়েছিল।এবং এ ব্যাপারে প্রচ্ছন্ন হুমকিও ছিল যে এ প্রস্তাব না মানলে ভবিষ্যতে ফিলিস্থিন সৌদি সাহায্যে আাশা না করো।
সুতরাং রিয়াধ- তেল আবিব সম্পর্ক যে ক্রমশ দৃঢ্ হচ্ছে এটা বলা যেতেই পারে।এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যে সাম্রাজ্যবাদी আগ্রাষণ বৃদ্ধি পাবে অনেক মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রই মনে করে।এছাড্া যেসব রাষ্ট্রের নিকট ফিলিস্থিনीদের ইস্রায়েলের হাত থেকে রক্ষা করা নৈতিক কর্তব্য বলে মনেহয় , তাদের সহিত রিয়াধের একটা দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। এমন চলতে থাকলে সৌদি আরব আঞ্চলিক ভাবে একা পড্ে যেতে পারে।তখন ইস্রায়েল রিয়াধের কতটা কাজে আসবে দেখার বিষয় নয় কি?