স্বাধীনতা দিবসেই হতে পারে কোভিড মুক্তির শুরু, ১৫ই আগস্ট বাজারে আসছে দেশে তৈরি করোনা ভ্যাক্সিন

0

টাইমস বাংলা নিউজডেস্ক: দেশবাসীর জন্য অত্যন্ত সুখবর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ভারতে বানানো করোনার প্রথম টিকা বাজারে আসত‌ে পারে দেশের স্বাধীনতা দিবসের দিন। তার নাম- ‘কোভ্যাক্সিন’।

‘ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (বিবিআইএল)’-এর সহযোগিতায় এই টিকা বাজারে আনছে ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)’। বাজারে আনার আগে মানুষের উপর প্রয়োগ করে দ‌েখার জন্য (‘ক্লিনিকাল বা হিউম্যান ট্রায়াল’) দেশের ১২টি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বে ইতিমধ্যেই করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১ কোটিরও বেশি মানুষ। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের কোথাও করোনার কোনও টিকা বাজারে আসেনি। বেশ কয়েকটি টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রথম দেশীয় করোনা টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালানোর জন্য বিশাখাপত্তনম, রোহতক, দিল্লি, পটনা, বেলগাঁও (কর্নাটক), নাগপুর, গোরখপুর, হায়দরাবাদ, গোয়া, আর্য নগর, কানপুর ও কাট্টানকুলাথুরের (তামিলনাড়ু) প্রতিষ্ঠানগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ঢালাও ভাবে ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরুর জন্য দেশের এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে চিঠি দিয়েছে আইসিএমআর। তাতে লেখা হয়েছে, ‘‘টিকা বানানোর জন্য সার্স-কভ-২ ভাইরাসের স্ট্রেন সংগ্রহ করা হয়েছিল আইসিএমআর-এর অধীনে থাকা পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি থেকে। টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরুর আগে যা যা করণীয় আর ঢালাও ভাবে ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালানোর জন্য যা যা করণীয়, বিবিআইএল-এর সহযোগিতায় সেই সবই করেছে ও করে চলেছে আইসিএমআর।’’

আইসিএমআর-এর তরফে জানানো হয়েছে, খুব দেরি হলেও যাতে ১৫ অগস্টের মধ্যেই এই টিকা সকলের ব্যবহারের জন্য বাজারে নিয়ে আসা যায়, তার জন্য সব ধরনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল দ্রুত শেষ করতে বলা হয়‌েছে। সেই ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালানোর জন্য যে সরকারি অনুমোদন লাগে, দেরি না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকে তা জোগাড় করে নিতে বলা হয়েছে।