ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আমফান, আগামীকাল দুপুর থেকেই টের পাওয়া যাবে এর প্রভাব

0

টাইমস বাংলা নিউজডেস্ক : দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ছেড়ে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আমফান। ইতিমধ্যেই অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে এটি। আগামী ১২ ঘন্টায় সুপার সাইক্লোনে পরিণত হবে এই ঘূর্ণিঝড়। বেলা ১২ টা নাগাদ এটি উত্তর-পশ্চিম অভিমুখ ছেড়ে উত্তর- পূর্ব অভিমুখে বাঁক নেবে। এরপরই ভয়াল ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে মধ্য বঙ্গোপসাগর ছেড়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে দিকে এগোবে। এসময় এর নিজস্ব গতিবেগ সমুদ্রের মধ্যে ঘন্টায় ২০০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাবে। বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যের দিকে পশ্চিমবঙ্গের দীঘা ও বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মাঝে এটি স্থলভাগে প্রবেশ করবে। এই সময়ে এর গতিবেগ ঘন্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫, সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর থেকেই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হবে কলকাতাসহ সাত জেলায়। এদিন দুপুর থেকেই ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার সকালে সেই ঝড়ের গতিবেগ সর্বোচ্চ ৯৫ থেকে ১০০ কিলোমিটার হতে পারে। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সতর্ক হওয়ার জন্য প্রশাসনকে বলা হয়েছে। এই সাত জেলার প্রশাসনকে নিচু জায়গা থেকে বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় নিয়ে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রের জলোচ্ছাসের কারণে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা।

কাঁচা বাড়ির পাশাপাশি জীর্ণ ও পুরনো পাকা বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বিদ্যুতের খুঁটি ল্যাম্পপোষ্ট ও বিজ্ঞাপনের হোডিং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা। বড় গাছ, নারকেল গাছ, তাল গাছের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকছে রেললাইন , রাস্তারও । শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বুধবার এই সাত জেলায় সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। বাসিন্দাদের এইসব জেলায় ঘরে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লঞ্চ পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।