ইরাণের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ মেনে নেবেনা ইউরোপ

0
Europe will not accept military action against Iran

নিউজডেস্ক,টাইমস্ বাংলাঃ ক্রমাগত ইরাণ ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলছে।চলতি মাসেই আমেরিকা ইরাণের উপর সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।এই প্রেক্ষিতে আমেরিকা ছাড়া পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরকারী জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেন কে ইরাণ ইতিমধ্য জানিয়েছে যে,তাঁরাও নিদিষ্ট সময়ের ভিতর পরমানু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবে।জল্পনা করা হচ্ছে এর পর হয়তো আমেরিকা ইরাণের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।এই আশঙ্কার উপর ভিত্তি করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমেরিকাকে চড়া সতর্কবার্তা শোনাল।
সোমবার বিকেলে ইইউ’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনি। তিনি বলেন, সামরিক দিক দিয়ে যেকোনো পদক্ষে নেয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সোমবার তার নির্ধারিত মস্কো সফর বিলম্বিত করে ব্রাসেলসে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে ইরানের পরমাণু সমঝোতায় স্বাক্ষরকারী তিন দেশ জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পম্পেও’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি; এমনকি তারা তার সঙ্গে ছবি তুলতেও রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত মোগেরিনি একাই পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করেন ও ফটোসেশনে অংশ নেন।

 

[আরও পড়ুন :   বিজেপি ছেড়ে আক্রমণাত্নক আইটি সেল প্রতিষ্ঠতা প্রদ্যুত বোরা ]
[আরও পড়ুন :   শিশুর প্রাণ বাঁচাতে নিজেই বিমানের ব্যবস্থা করলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ]

 

বৈঠকের পর মোগেরিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “পম্পেওকে আমরা সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি, আমরা একটি স্পর্শকাতর নাজুক সময় অতিক্রম করছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময় সংলাপ ও কূটনৈতিক উপায়ে সব সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী। ইরানের ক্ষেত্রেও একই কাজ করতে হবে।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের যে নীতি গ্রহণ করেছেন মাইক পম্পেও’কে তার মূল হোতা বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে চান বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।