বাজেটে সরকারি হিসেবের সাথে মিলছে না সরকারি হিসেব ই

0
Government estimation does not match budget estimation

টাইমস বাংলা নিউজডেস্ক : ৫ই জুলাই কেন্দ্র সরকারের বাজেট পেশ করেন নির্মলা সীতারমন। বাজেটে যে বিরোধীরা খুশি নয়, তা আগেই বাজেট নিয়ে যুক্তি তক্কো ও সমালোচনা তেই বোঝা গেছে। বাজেটের তথ্যে বড় রকমের গরমিল থাকার অভিযোগ তুলল সংশ্লিষ্ট মহল। সরকারি হিসেবের সঙ্গে সরকারি হিসেবই যেন মিলছে না।। কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার তোপ, ‘‘আতঙ্ক তৈরি, কণ্ঠরোধ, মেরুকরণের বিশেষজ্ঞরা এ বার পরিসংখ্যানের কারচুপিতেও বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছে।’’ আর সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরির বক্তব্য, ‘‘এই কারচুপি শুধু দেশের মানুষের ক্ষতি করবে না। পরিসং‌খ্যানের গুণগত মানের সুনামেও ধাক্কা দেবে।’’

হিসেব-নিকেশে ধরা পড়েছে, গত অর্থবর্ষে কেন্দ্রের রাজস্ব আয়ের অঙ্ক বাজেট ও আর্থিক সমীক্ষায় আলাদা। এক-দু’টাকা নয়, দুইয়ের ফারাক প্রায় ১.৭ লক্ষ কোটি। আলাদা হিসেব সরকারি খরচেও। তফাত প্রায় ১.৪৫ লক্ষ কোটি।এমনকি ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পা রাখার যে স্বপ্ন ফেরি করছেন নরেন্দ্র মোদী, তাতেও ধোঁয়াশা খুঁজে পাচ্ছেন একাংশ। তাঁদের দাবি, অর্থ মন্ত্রক ও নীতি আয়োগ যখন বলছে ওই লক্ষ্য ছুঁতে বছরে ৮% বৃদ্ধি জরুরি, তখন আর্থিক সমীক্ষার বার্তা চলতি অর্থবর্ষে তা ৭% ছোঁবে। অর্থ মন্ত্রকের পূর্বাভাস, ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ সালে ওই হার দাঁড়াতে পারে যথাক্রমে ৭.৩% ও ৭.৫%।বাজেটের হিসেবে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস-বাম নেতারা। একাংশের প্রশ্ন, এ ভাবে গরমিল দেখিয়ে কি ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছনো সম্ভব? জায়গা হল, আর্থিক সমীক্ষা যেখানে গত অর্থবর্ষে সরকারের রাজস্ব আয় ১৫.৬ লক্ষ কোটি টাকা দেখিয়েছে, সেখানে বাজেটে তার সংশোধিত হিসেব ১৭.৩ লক্ষ কোটি। বাজেটে সরকারি খরচের সংশোধিত হিসেবের থেকে আর্থিক সমীক্ষায় প্রকাশিত হিসেবও প্রায় ১.৪৫ লক্ষ কোটি কম।তার মানে বাজেটে খরচ কমানো হয়েছে। কারণ, আর্থিক সমীক্ষা অনুযায়ী রাজকোষ ঘাটতি প্রায় ১১ হাজার কোটি বাড়ে। চলতি বছরে রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যও ছাপিয়ে যায় ২৫%। ৯% প্রকৃত জিডিপি-র বৃদ্ধি নিয়ে যা কার্যত অসম্ভব।