মেয়রের নির্দেশ সত্ত্বেও বন্ধ করা গেল না অবৈধ নির্মাণ,আধিকারিককে ভর্ৎসনা ক্ষুব্ধ মেয়রের

0
Illegal construction could not be stopped despite Mayor's orders

পল্লব ঘোষ টাইমস বাংলা কলকাতা : বেআইনি নির্মাণ বন্ধের নোটিস টাঙানো হয়েছিল পুরসভার তরফ থেকে| সেই নোটিশকে অগ্রাহ্য করে নির্মান সম্পূর্ণ হয়ে গেছে| শনিবার টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে এমন অভিযোগ শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম| তীব্র ভর্ত্সনা করলেন বিভাগীয় আধিকারিককে|

বেআইনি নির্মান যেন পিছু ছাড়ছে শহর কলকাতার| শনিবারের টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে ফের একগুচ্ছ বেআইনি নির্মানের অভিযোগের সম্মুখীন হতে হল মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে| ঘটনাটি ঘটেছে ৮৪নম্বর ওয়ার্ডের আন্দুল রাই রোডে।গত শনিবার টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে এই ঠিকানার বাসিন্দা সৌমজিৎ দত্ত মেয়রকে অভিযোগ করে জানান, তার অনুমতি না নিয়েই তার তিন ভাই তার সম্পত্তির মধ্যে একটি বেআইনিভাবে দোকান তৈরী করছে| যা সম্পূর্ণভাবে পুরসভার বিল্ডিং বিধিকে অগ্রাহ্য করছে। তৎক্ষণাৎ মেয়র নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বাড়িটি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিতে| সেই নির্দেশ অনুযায়ী বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকরা ওই বাড়িতে যান এবং বেআইনি নির্মানের সামনে স্টপ ওয়ার্ক নোটিশ ঝুলিয়ে দেন।

কিন্তু রীতিমত পুরসভার নোটিশকে অগ্রাহ্য করে সেখানে নির্মান কাজ চালিয়ে গেছে অভিযুক্তরা| বাধ্য হয়ে ফের এই শনিবার ফোন করে অভিযোগকারী মেয়রের কাছে অভিযোগ করেন, নির্মানকার্য তো থামেইনি বরং যে কাজ গত শনিবার অর্ধেক হয়েছিল সেই কাজটি সম্পন্ন হয়ে গেছে | এই অভিযোগ শুনেই কার্যত মেজাজ হারান মেয়র ফিরহাদ হাকিম| বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিককে ভর্ত্সনা করে তাঁর কাছে জানতে চান, “শুধুমাত্র স্টপ নোটিশ দিয়ে আপনার কাজ শেষ হয়ে গেছে? আপনি কেন এফআইআর করে বেআইনি নির্মাণ বন্ধ করেননি| নির্মান পুরোপুরি সম্পন্ন হয়ে গেল আপনি ব্যবস্থা নিতে পারলেন না কেন”। এরপরেই ওই বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন মেয়র| একইসঙ্গে অবিলম্বে থানায় এফআইআর করার জন্যও বলেন।

এদিন একগুচ্ছ বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ আসে| নিউ বালিগঞ্জ থেকে রতন দাস, শকুন্তলা পার্ক থেকে সুনীল কুমার ঘোষ সহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন বেআইনি নির্মাণ নিয়ে। এর প্রেক্ষিতে এ দিন মেয়র স্পষ্ট জানিয়ে দেন বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কোন আপস করা হবে না| বেআইনি নির্মাণ পুরসভার কাছে সম্মাণহানীকর বলেও জানান তিনি| পুরভোটের আগেই এই সমস্যা মেতনোর নির্দেশ দিয়ে মেয়র বলেন, “কোনরকম বেআইনি নির্মাণকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না| একটি বেআইনি নির্মাণকে যদি প্রশ্রয় দেওয়া হয় তবে তার দেখাদেখি আশেপাশে আরও বেআইনি উঠবে| তাই সমূলে উৎপাটিত করতে হবে বেআইনি নির্মাণকে|”