একুশ দিনের লকডাউনে দিনমজুরদের কিভাবে চলবে?  মোদীকে প্রশ্ন কংগ্রেসের

0

নিউজডেস্ক,টাইমস্ বাংলাঃকরোনা ভাইরাস সংক্রামণের রাশ টেনে ধরতে প্রধানমন্ত্রী টানা একুশদিনের লকডাউন ঘোষণা করলেন।জরুরী ভিত্তিতে করোনা রুখতে এই লকডাউন ছাড়া আর কোন অন্য উপায় নেই অনেকেই মানছেন। দেশকে সুরক্ষিত রাখতে অনেকেই আন্তরিকভাবে এই লকডাউনকে মেনে নিতে দেশবাসীর প্রতি প্রতিনিয়ত আবেদনও জানাচ্ছেন। তাস্বত্তেও এই লকডাউন নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সূর্যওয়ালা এই লকডাউন নিয়ে মোদীকে ইতিমধ্যেই প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেছেন।

★দেশের সংক্রমণের আপডেট:- আক্র্ন্তের সংখ্যা-৫৬২, মৃত্যু-১১(আজ সকালে তামিলনাড়ুতে ১জন) সুস্থ-৪১. বাংলায় আক্রান্ত-৯, মৃত্যু-১

প্রধানমন্ত্রীর ললকডাউন ঘোষণায় দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ রুজিরোজগারে সংকট তৈরি করবে বলে বিরোধীদল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে।কারন মোদীর এই ঘোষণায় গরীব দিনমজুরদের সহয়েতায় কোন প্রকল্প নেই। একটি ট্যুইটবার্তায় কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুর্যওয়ালা বলেছেন, একুশদিন ঘরে বন্দী থাকলে হতদরিদ্র দিন আনি দিন খাই মানুষদের অন্ন জোগাবে কে? তিনি আরো প্রশ্ন করেছেন, ” শ্রদ্ধেয় মোদী জি! দেশ লকডাউন মেনে নিতে প্রস্তুত। কিন্তু গরীব,মজুর, দোকানদারদের একুশ দিন কিভাবে চলবে?  মহামারী রুখতে আপনি কি করলেন? স্বাস্থ্যকর্মীরাই কিভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা হু’র মতে কেবল লকডাউন করে সর্বগ্রাসী করোনার বিরুদ্ধে যথাযথ লড়াই করা সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দ্রুত উন্নয়ণের প্রয়োজন।বিশেষকরে স্বাস্থ্যে নিবেদিন স্বাস্থকর্মীদের সুস্থ রাখতে হবে। এই জনবহুল দেশে এই মুহুর্তে এন-৯৫ মাস্ক,থ্রীপাই মাস্ক, হ্যাজমাট স্যুট জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন। কমপক্ষে এক্ষুণি ৭.২৫ লক্ষ বডি স্যুট, ৬০ লক্ষ মাস্ক, এককোটি ত্রীপ্লাই মাস্কের প্রয়োজন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সরকার দই মাস সময় পাওয়ার পরও কোন ব্যবস্থা রাখেনি।

অনেকই মনে করছেন, বর্তমান করোনা পরিস্তিতি পঞ্চাশ মিনিটের ভাষণে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এর জন প্রয়োজন স্বাস্থ পরিকাঠামোর দ্রুত এবং পর্যাপ্ত উন্নয়ণ। তাতে কেন্দ্র সরকার কতটা সক্ষম তার উপরই নির্ভর করছে করোনা মোকাবেলার সাফল্য।