তিন দিন চলা সাম্প্রদায়িক হিংসার জেরে হুগলীর একাংশ বন্ধ ইন্টারনেট

0

টাইমস্ বাংলা ডেস্ক: মঙ্গলবার সকালে ভদ্রেশ্বরের তাঁতিপাড়া, সেগুনবাগান, তেলেনিপাড়া এলাকা জুড়ে বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় র‌্যাফ নামানো হয়েছে। চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবীর ও এডিজি সিআইডি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত ঘটনাস্থলে যান। রাতে পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রুখতে মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে চন্দননগর এবং শ্রীরামপুর মহকুমায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হুগলি জেলা প্রশাসন। এ দিন এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেন জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও। রাতে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৭ মে পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে। আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, লকডাউন ভেঙে যারা দাঙ্গা করছেন তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। সে যেই হোক না কেন। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এরপরই সাম্প্রদায়িক অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, ‘আপনাদের লজ্জা লাগে না? এই মহামারির সময় হিন্দু-মুসলিম করছেন। বিধানসভা ভোট তো পরের বছর। এখনই দাঙ্গা করছেন কেন? হিন্দু-মুসলিম না করে যাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় কাজ করছে, তাঁদের পাশে দাঁড়ান। হিন্দু-মুসলিম করবেন না।’ বুধবার চুঁচুড়ায় জেলাশাসকের অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপি নেতৃত্ব। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বলছেন, কোনও দল-রং না দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু কোথায় কী? এখনও আগুন জ্বলছে। পুলিশ কী করছে? কমিশনার আমার সঙ্গে দেখা করছেন না। ভদ্রেশ্বর থানার ওসি কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। জেলাশাসক বলছেন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে আসতে হবে। আমি একজন সাংসদ। আমাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে আসতে হবে মানুষের কথা বলার জন্য?’ এনিয়ে আবার বিভিন্ন মহল থেকে বিজেপি এমন‌ কাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন।