ইরাণের প্রথম প্রত্যাঘাতঃ ইরাকের মার্কিণ ঘাঁটিতে মিশাইল হানা

0
Iran's first retreat: missiles at the Iraqi Marine base

★ইরাণ শুরু করল ‘শহীদ সোলাইমানি’ মিশন

★ ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ‘এইন আল-আসাদ’ ইরানের মিশাইল হামলায় সম্পুর্ণ ধংশ হয়েছে বলে জানা গেছে।

★জে.কাশিম সোলাইমানির হত্যার পর সমগ্র ইরাণ ক্ষোভে ফুঁসছিল। এই মিশাইল হানার মধ্যদিয়ে কার্যত মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধু শুরু হল।

★ এখন পর্যন্ত মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া জানা যায় নি।

নিউজডেস্ক, টাইমস্ বাংলাঃ আইআরজিসি বুধবার ভোররাতে এক বিবৃতিতে বলেছে, লেঃ জেনারেল কাসেম সোলাইমানির উপর আগ্রাসী মার্কিন সেনাদের সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক হামলার কঠোর জবাব দিতে এইন আল-আসাদ ঘাঁটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার কাপুরুষোচিত পদক্ষেপের ‘কঠোর প্রতিশোধ’ নেয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বুধবার ভোররাতে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি ‘এইন আল-আসাদ’র ওপর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করে ঘাঁটিটিতে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

অভিযানটির নাম দেয়া হয়েছে ‘শহীদ সোলাইমানি’ এবং এই অভিযানের মাধ্যমে যে ‘মহান বিজয়’ অর্জিত হয়েছে সেজন্য বিবৃতিতে ইরানের মুসলিম জাতিকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে ‘বড় শয়তান’, ‘রক্তপিপাসু’ ও ‘দাম্ভিক’ আমেরিকাকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলা হয়েছে, যদি আবার কোনো ‘শয়তানি’ করা হয় কিংবা কোনো আগ্রাসন বা উসকানি চালানোর চেষ্টা করা হয় তাহলে ওয়াশিংটনকে এর চেয়ে ‘বেদনাদায়ক’ ও ‘বিপর্যয়কর’ জবাব দেয়া হবে।

বিশেষজ্ঞগন মনে করছেন, এই মিশাইল হামলা দ্বারা ইরাণ মধ্যপ্রাচ্যে তার উপস্থিতি প্রমান করল এবং দেশের জনগনকে কিছুটা স্বস্তি দিল। যেহেতু আমেরিকা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘণ করে ইরাণের সেনাপ্রধানকে হত্যা করেছে সেহেতু এই আক্রমনের অধিকার তাদের আছে এটাই প্রমান করতে চায়ল।

একইসঙ্গে বিবৃতিতে আমেরিকার যেসব মিত্র দেশ তাদের ঘাঁটিগুলোকে এই সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের হাতে তুলে দিয়েছে তাদের প্রতিও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যে দেশের ভূমি থেকেই ইরানের ওপর হামলা চালানো হবে সেই দেশকে শত্রু দেশ হিসেবে চিহ্নিত করে তার ওপরও আক্রমণ চালানো হবে