করোনা মোকাবিলায় পূর্ণ লকডাউনে সারাদেশ, ঘুরে দাঁড়াতে পারছেনা ইউরোপ

0

নিউজডেস্ক,টাইমস্ বাংলাঃ করোনাভাইরাস তথা কোভিট-১৯ সংক্রমণের কোপ সমগ্র বিশ্বকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির উপর দাঁড়করিয়ে দিয়েছে। টানা দেড় মাসের নিরবিচ্ছিন্ন রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর করোনা এপিসেন্টার চীন উদ্বেগ অনেকটাই কমিয়ে এনেছে। কিন্তু ইউরোপের দেশগুলিতে বিশেষকরে ইতালি এবং স্পেনের অবস্থা সংকট জনক। সেখানে মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত। সংক্রামণের গতি কিছুতেই কমানো যাচ্ছে না। আমেরিকারও অবস্থা একই রকম।এই মুহুর্তে করোনা সংক্রমণের চিত্রটা হল সারা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২২৫৬৬, মৃত্যু সংখ্যা ১৮৮৮৭। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩৬ এবং মৃতের সংখ্যা ১০।
বর্তমানে ইতালির পরিস্থিতি সংকটময়। ঐদেশ যেভাবে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিপদজনক রেখাতে পৌঁছে গেল তা এখন অন্যান্য দেশের কাছে শিক্ষণীয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞগনের মতে লকডাউনে অবহেলা ইতালিকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করছে। সেইদিকে লক্ষ রেখেই ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার এক সপ্তাহের লকডাউন রাজ্যতে ঘোষণা করেছে। পরবর্তীতে সরাদেশ তিন সপ্তাহের জন্য পরিপূর্ণ লকডাউন হল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত রাতে তাঁর ভাষণে জনগনকে ২১ দিনের গৃহবন্দী থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জোর দিয়েই বলছেন, আপনার দরজায় ২১ দিনের লকডাউনের ‘লক্ষ্মণরেখা’ টেনে দেওয়া হল। স্পষ্টতই এটাযে স্বেচ্ছা লকডাউন তা নয়, অমান্য হলে বলপ্রয়োগও হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞগন বলছেন, প্রধানমন্ত্রীকে এই বিষয়ে আরো দায়ীত্বশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল। এই আপাতকালীন বরাদ্দকৃত অর্থ নিতান্তই কম, এই বিপুল জনসংখ্যার দেশে ১৫০০০ হাজার কোটিটাকা প্রহসন মাত্র। তাছাড়া তাঁর ঘোষনার মধ্যে গরীব দিনগুজরান মানুষ ও সর্বহারা দিল্লী দাঙ্গা পীড়িতদের কথা কিছুই বলা হয়নি।
সে যাইহোক, লক্ষ্য এখন করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলা। বিপুল জনসংখ্যার দেশ ভারতে সংক্রমণের রাশ টেনে না ধরতে পারলে পরিস্থিতি ইতালির চেয়ে বিপদজনক হয়ে পড়বে। তাই এতে কোনভাবেই নাগরিক দায়িত্ব থেকে চ্যুত হলে চলবে না।