ওবিসি এ শংসাপত্র আপডেট নিয়ে ভিন্নমত প্রশাসন ও সিএসসির, কলেজে নিয়োগের সুপারিশপত্র পেতে আদালতে চাকরিপ্রার্থী

0
Obtaining a job appointment in the court to get the recommendation of the appointment of the administration and the CSC, the college, on the OBC certification update

নিজস্ব প্রতিবেদক,টাইমস্ বাংলা,কলকাতা : ওবিসি এ শংসাপত্র আপডেট নেই। তাই কলেজ সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও মিলল না নিয়োগের সুপারিশপত্র। অন্যদিকে আপডেট করাতে গেলে প্রশাসনের তরফে বলা হল আপডেটের কোন প্রয়োজন নেই। এই শুনে পুনরায় কলেজ সার্ভিস কমিশনের কাছে আবেদন করলেও গ্রাহ্য হল না আবেদন। অগত্যা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ইতিহাসের অধ্যাপনার চাকরিপ্রার্থী ডক্টর শালেহা বেগম। বুধবার হাইকোর্ট আগামী মাসের ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত ওই চাকরিপ্রার্থীর জন্য বরাদ্দকৃত পদ খালি রাখার নির্দেশ দিয়েছে। গতবছরের ১৬ই জুলাই

ডা. শালেহা বেগম

রাজ্যের সরকারি ও সরকার স্বীকৃত কলেজগুলিতে সহকারি অধ্যাপক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে ওবিসি এ ক্যাটাগরিতেও শূন্যপদ ছিল। এই বিজ্ঞপ্তি দেখেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে পি এইচ ডি করা ডায়মন্ডহারবার ফকিরচাঁদ কলেজের আংশিক সময়ের অধ্যাপিকা ডক্টর শালেহা বেগম আবেদন করেন। ইন্টারভিউ এর পর ওবিসি এ মেরিট প্যানেলে তার স্থান ছিল ৪ এ। ১৩ই জুন কাউন্সিলিং এ তিনি বঙ্গবাসী মর্নিং কলেজ পছন্দ করেন। কিন্তু কমিশনের অফিসে নিয়োগের সুপারিশপত্র আনতে গেলে তাকে জানানো হয়, তার ওবিসি এ শংসাপত্র আপডেট করা নেই, ৭ দিনের মধ্যে আপডেট

আইনজীবী শবনম সুলতানা

করে নিয়ে ওই শংসাপত্র জমা না করা হলে নিয়োগের সুপারিশপত্র পাওয়া যাবে না। এরপর শালেহা বেগম ডায়মন্ডহারবার মহকুমা আধিকারিকের কার্যালয়ে গেলে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয় ২০১৩ সালে তাকে ওবিসি এ শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে তাই এর আপডেটের কোন প্রয়োজন নেই। এরপর কলেজ সার্ভিস কমিশনের কাছে আবেদন করেও কতৃপক্ষ মানতে না চাওয়ায় বাধ্য হয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি। তার আইনজীবী শবনম সুলতানা সোমবার মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানালে বুধবার সিঙ্গলবেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। এদিন কমিশনের পক্ষ থেকে শালেহাকে নিয়োগের সুপারিশপত্র না দেওয়ার কোন কারণ বলতে না পারায়, বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত বঙ্গবাসী মর্নিং কলেজে ওই পদ খালি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, ওইদিন মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। মামলাকারীর আইনজীবী শবনম সুলতানা বলেন, ” কমিশনের বক্তব্যের কোন সারবত্তা নেই। রাজ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তর দ্বারাই ফকিরচাঁদ কলেজে আংশিক সময়ের অধ্যাপিকা হিসেবে তার নিয়োগ হয়েছিল। তখন ওবিসি এ সার্টিফিকেট নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না। পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকের পদের জন্য ইন্টারভিউতেও তার যাবতীয় নথি দেখা হয়। তখনও কোন সমস্যার কথা জানানো হল না, এখন হঠাৎ কি সমস্যা হল ? যেখানে খোদ মহকুমা শাসকের দপ্তর বলছে আপডেটের কোন প্রয়োজন নেই।”