প্রফেসর আফসার আলি, পিছিয়ে পড়া সমাজের টানেই কলকাতা ছেড়ে আজ তিনি স্বরুপনগর শহীদ নুরুল ইসলাম মহাবিদ্যালয়ে(ভিডিও সহ)

0

মিজানুর রহমান রোহিত: প্রফেসর আফসার আলি। যার প্রতিটি কলামের ছত্রে ছত্রে থাকে পিছিয়ে পড়া সমাজের সুখ দুঃখের কথা। থাকে নীচুতলার মানুষগুলোর বেদনাসিক্ত আশা আর আকাঙ্খার নীল নক্সা। যিনি চরম দারিদ্রতাকে জয় করে আজ উত্তরণের শিখরে উঠেছেন ঠিকই, কিন্তু ভুলে যাননি দারিদ্রতার চরম নিষ্ঠুরতাকে। বারবার ফিরে তাকিয়েছেন তাদের দিকে। সহায় সম্বলহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আজও যিনি গেয়ে চলেছেন উত্তরণের গান। শিক্ষাছাড়া এ জাতি যে এক পাও এগোতে পারবে না, সেটা তিনি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে উপলব্ধি করেছিলেন। আর তাইতো পিছিয়েপড়া সমাজের ছেলে মেয়েদের জন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন আফসার সাহেব।

দেখুন ভিডিও সাক্ষাৎকারটি:

দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছিলেন কলকাতার এজেসি বোস কলেজে। তারপর প্রিন্সিপাল হিসাবে দায়িত্ব সামলানোর পালা। Rank ও করেছিলেন আশানুরুপ, যাতে তিনি সহজেই কলকাতার কোন নামী কলেজের দায়িত্ব নিতে পারতেন। কিন্তু সেটা তিনি করলেন না। কারন তাঁর মন যে পড়ে আছে এই মাটির মানুষগুলোর কাছে। প্রান্তিক মানুষগুলোর কাছে যারা দুবেলা দুমুঠো খেতে পায়না। যারা দারিদ্রতার ভারে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। তাইতে বেছে নিলেন উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত লাগোয়া স্বরুপনগর থানার অন্তর্গত তেঁতুলিয়া শহীদ নুরুল ইসলাম মহাবিদ্যালয়কে। বিগত কয়েক বছরধরে অবিভাবকের অভাবে শিক্ষার পরিবেশ হারিয়ে চরম অরাজকতায় ধুঁকছিলো কলেজটি। কিন্তু প্রফেসর আফসার আলি ২০১৮ সালের মাঝামাঝি নাগাদ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে শহীদ নুরুল ইসলাম মহাবিদ্যালয়। কলেজের অধ্যাপক, অধ্যাপিকা থেকে সাধারণ কর্মী, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কলেজটিকে আবারও একটি উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস শুরু হয়। প্রফেসর আফসার আলি বলছিলেন, কেবল চাকরি নয় বরং পিছিয়েপড়া সমাজের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবেই আমি কলকাতা ছেড়েছি, আপন করে নিয়েছি শহীদ নুরুল ইসলাম মহাবিদ্যালয়কে, আপন করে নিয়েছি এখানকার মাটি আর মানুষকে