একদিনে ১০৩৪ আক্রান্তর রেকর্ড বাংলাদেশে

0

প্রবাল আদিত্য, টাইমস্ বাংলা, ঢাকা: একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৪ জন আক্রান্তর রেকর্ড বাংলাদেশে। ৮ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত আক্রান্তর সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৯১। এদিন ১১জন নিয়ে মৃতের সংখ্যা ২৩৯জন। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। এদিনের রেকর্ড পরিমাণ আক্রান্তের কারণে আরকাইন, রোমানিয়া, ইন্দোনেশিয়াকে টপকে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৪ নম্বরে। গত ৫ মে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৩৭। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫২ জন নিয়ে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯০২ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য ওঠে এসেছে। দেশে করোনায় সুস্থতার হার ১৮.৫২% এবং মৃত্যু হার ১.৫৩%। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১১ জনের মধ্যে পাঁচ জন পুরুষ ও ছয় জন নারী।

মৃতের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ এবং রংপুর বিভাগে ১ রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ঢাকা শহর ও ঢাকা বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। ৩৭টি ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে ৭ হাজার ২০৮টি নমুনা। এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৮৬৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি অর্থাৎ লকডাউন চলছে বাংলাদেশে। বেশ ক’দফা বাড়িয়ে তা ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশে করোনার কারণে তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় বিশাল অঙ্কের টাকার অর্ডার বাতিল হয়ে যায়। বর্তমানে বহু অর্ডার রয়েছে, যেগুলো সময় মতো শিপমেন্ট করা না গেলে বাতিল হয়ে যাবে। এমন বিবেচনায় প্রায় দেড়মাস বন্ধ থাকার পর ২৬ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খোলার অনুমতি দেয় শ্রম মন্ত্রক। পর্যায়ক্রমে চলতি মাসের ৩ মে দেশের প্রায় ৪ হাজার পোশাক কারখানা খোলা হয়।

বাংলাদেশের পোশাকখাতে ৩২ লাখ নারী শ্রমিক এবং ৮ তেকে ১০ লাখ পুরুষ শ্রমিক যুক্ত রয়েছেন। এরই মধ্যে লকডাউন শিথিল করতেই বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তর হার হু হু করে বাড়তে থাকে। এ অবস্থায় রবিবার থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমিত পরিসরে মার্কেট খুলতে শুরু করেছে। ঈদকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের চলাচল দিন দিন বাড়ছে। লকডাউনকে তোয়াক্কা না করে গাদাগাদি করে ঢাকায় ফিরছে হাজারো মানুষ। রাজধানীসহ সারাদেশে গণপরিবহন ছাড়া সকল ধরণের যানবাহনের চলাচল বেড়েছে।