সাংবাদিক কে আর্থিক প্রলোভন ও হুমকি মিলনগড় সাজ্জাদিয়া হাই মাদ্রাসার পার্শ্ব শিক্ষকের

0

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাইমস বাংলা,মালদা:
মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্র পুর-২ব্লকের মিলনগড় সাজ্জাদিয়া হাই মাদ্রাসার তিন জন শিক্ষক কে ডিরেক্টর অফ মাদ্রাসা এডুকেশন(DME) অবৈধ ঘোষণা করে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে।এবি তারিকুর রেজা, সামিনা ইয়াসমিন এই দুই জন শিক্ষিক সহ মির মোশারফ হোসেন ক্লার্ক
অবৈধ ঘোষিত হওয়ার পরে ও মাদ্রাসায় নিয়মিত আসেন।
সামিনা ইয়াসমিনের বোন তাহেরা খাতুন উক্ত মাদ্রাসায় হাই মাদ্রাসা ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছে ৩নম্বর রুমে।সামিনা তার বোনকে নকল সরবরাহ করছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ।এই সংক্রান্ত খবর প্রথমে টাইমস বাংলা তে প্রকাশিত হয় তারপর থেকে টাইমস বাংলার মুখ্য সম্পাদক কে একাধিক বার ফোন করে হুমকি দেওয়া হয়েছে।আবার
গত শনিবার রাজ্যের প্রথম সারির দৈনিক দিনদর্পনে ও এই খবর প্রকাশিত হয়।ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ও ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ মাদ্রাসার শিক্ষক ও পার্শ্ব শিক্ষক দের নিকট আত্মীয় মাদ্রাসায় পরীক্ষা দিচ্ছে।তাদের অসুস্থ পরীক্ষার্থী বলে আলাদা ঘরে বসে পরীক্ষার সুযোগ দিয়ে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।এই সংক্রান্ত খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ‘উত্তরের সারাদিন’দৈনিকের সাংবাদিক হাবিবুর রহমান কে ফোন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে খবর করতে নিষেধ করে মিলনগড় সাজ্জাদিয়া হাই মাদ্রাসার পার্শ্ব শিক্ষক মহম্মদ হানিফ।
সাংবাদিক হাবিবুর রহমান বলেন,আমাকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে খবর করতে বারণ করেন মহম্মদ হানিফ।আমি অস্বীকার করলে তিনি বলেন,হাতে চুরি পড়ে নেই দেখে নেব।প্রশ্ন উঠছে কি করে একজন সাংবাদিক কে এইভাবে হুমকি দেওয়া হল।সত্য অনুসন্ধান করা সাংবাদিকের কাজ আর সেকাজে বাধা দেওয়া মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের সামিল।