তৃণমূলের ঊনিশের ব্রিগেড ৭৭এর বামেদের ব্রিগেড কে ছাপিয়ে যাবে, আশাবাদী অগ্নিকন্যা মমতা

0

টাইমস বাংলা নিউজডেস্ক : ১৯৭৭ সালে জ্যোতি বসুর পর ৪১ বছর বাদে এত বড় ব্রিগেড। তবে সেই ব্রিগেডকেও ছাপিয়ে যাবে বলে মঙ্গলবার দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ঊনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রে মোদী সরকারকে গদিচ্যুত করার লক্ষ্যে বিরোধীদের জোট করতে এটাই বড় ব্রিগেডমঞ্চ হতে চলেছে। বিরোধী মহাজোটের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জোটের প্রথম ‘আত্মপ্রকাশ’ হতে চলেছে ২০১৯ এর ১৯ জানুয়ারি। অবিজেপি সব বিরোধী দলের নেতৃত্বদের আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্রে খবর, মমতার ব্রিগেডে উপস্থিত থাকতে পারেন বিভিন্ন দলের ২০ জন শীর্ষ নেতা। এনারা হলেন দেবেগৌড়া, কুমারস্বামী, অরবিন্দ কেজরীবাল, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, শারদ পাওয়ার, বদরুদ্দীন আজমল, স্ট্যালিন, অরুন শৌরি, চন্দ্রবাবু নাইডু, অজিত সিং, জয়ন্ত চৌধুরী, ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, শত্রুঘ্ন সিনহা, বাবুলাল মারান্ডি, মল্লিকার্জুন খাড়গে, জিগনেস মেওয়ানি, হার্দিক প্যাটেল, যশবন্ত সিনহা।
জানা গিয়েছে, মঞ্চ হচ্ছে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দিকে যে ঝরনা রয়েছে, তার সামনে। মঞ্চের সামনে যাতে অধিক পরিমাণে প্রশস্ত জায়গা পাওয়া যায়, সেই জন্য মাঠের এক প্রান্তে ব্রিগেডের মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। মূল মঞ্চ ১২ ফুটের। সেটি আবার তিনটি ভাগে বিভক্ত। এখানেই বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জাতীয় স্তরের নেতারা। থাকবেন রাজ্যের বিশিষ্ট নেতারাও। ডান দিকে থাকছে দুটি মঞ্চ। এই দুটি মঞ্চে থাকবেন জেলা সভাপতি, মন্ত্রী ও সাংসদরা। আর বামদিকে দুটি মঞ্চ বরাদ্দ থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য।মঞ্চের দিকে তাকিয়ে যাতে সবাই পর্যাপ্ত ভাবে বক্তৃতা শুনতে পারেন, তারজন্যে হাজারটি মাইক বসানো হচ্ছে। ৭০০টি আয়রনের রড দিয়ে তৈরি হচ্ছে কাঠামো। থাকছে ওয়াচটাওয়ার। থাকবে এলইডি টিভি। ভিড় সামলানোর জন্য থাকবেন প্রায় ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। দূরের কর্মী-সমর্থকদের জন্য গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের মতো জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্রিগেডে ঢোকার জন্য ৭ টা প্রবেশ পথ করা হচ্ছে। কোন মিছিল কোন প্রবেশ পথ দিয়ে ঢুকবে, তা নির্ধারিত করে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত করে দেওয়া হচ্ছে স্থান। মোট ৩টি স্থানকে পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।উত্তর কলকাতার দিক থেকে আসা সব গাড়িকে পার্ক করা হবে গণেশ চন্দ্র অ্যাভিনিউ-তে। দক্ষিণ কলকাতার দিক থেকে আসা গাড়িগুড়ির জন্য নির্ধারিত পার্কিং লট খিদিরপুর ও হাজরা মোড়। হাওড়া থেকে আসা গাড়িগুলির জন্য কোণা এক্সপ্রেসওয়েতে থাকছে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। সেদিন ভিভিআইপি ছাড়া ছোট গাড়িতে কাউকে ব্রিগেডে আসতে বারণ করা হয়েছে।

এবারের ব্রিগেডে গোটা রাজ্য থেকে প্রচুর মানুষ আসতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রে খবর, উনিশের ব্রিগেডে ৫০ লাখ মানুষের সমাগম হতে চলেছে। সেই অনুসারেই চলছে পরিকল্পনা।