করোনার ভয়ঙ্কর থাবা বাংলাদেশে ! একদিনে আক্রান্ত ৮৯০ জন

0

প্রবাল আদিত্য, টাইমস্ বাংলা, ঢাকা: করোনায় আক্রান্তর দিন গনণা শুরু হয়েছিলো ৮ মার্চ। তার ঠিক ১০ দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৮ মে প্রথম মৃত্যুর গণনা শুরু। বুধবার শনাক্তর ৬০তম দিনে বাংলাদেশে একদিনে রেকর্ড সংখ্যক ৮৯০জন আক্রান্তর খবর এলো। হু হু করে করোনার উর্ধমুখী আক্রান্তর পারদ? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অদিদপ্তর সূত্রের খবর, বাংলাদেশে সামাজিক সংক্রমণ চলছে! একারণে লাফি লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত। পরিস্থিতি যখন এমন, তখন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত হচ্ছে সব কিছু। যদিও ১৬ মে পর্যন্ত সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি বলবত। এরই মধ্যে গার্মেন্টের পর মার্কেট, দোকানপাট খোলা ঘোষণার পর এবারে বৃহস্পতিবার থেকে মসজিদও উন্মুক্তর ঘোষণা আসছে। রাজধানী নানা ধরণের যানবাহনের চলাচল বেড়েই চলেছে। ঢাকার পাশ^বর্তী গাজীপুরে বুধবারও বেতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও শহরগুলোয় অবাধে যান চলাচল করছে। আমলে নেয়া হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। হাটবাজারের যেন আগের মতেই স্বাভাবিক। গার্মেন্টস ও মার্কেট খোলার কারণে আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে পারে, তা কবুল করে নিয়েছেন খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেছেন, আগে যেখানে দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ আক্রান্ত হচ্ছিল, সেখানে ইদানিং বেশি হচ্ছে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্তর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার।

কিন্তু আতঙ্ক-উৎকন্ঠা ছড়িয়ে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত হু হু করে বেড়ে চলেছে। শনাক্তের ৬০তম দিনে ৮৯০জন আক্রান্ত রেকর্ড গড়লো। যা নিয়ে মোট আক্রান্তর সংখ্যা ১১৭১৯জন। আক্তান্তর আরও ৩জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮৬। এর আগে মঙ্গলবার দেশে রেকর্ড সংখ্যক ৭৮৬ জন করোনা শনাক্ত হয়েছিল। একদিনের ব্যবধানে আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়ালো ৮৯০জনে। দেশের দুটো ইসলামী সংগঠন ও মুসল্লিদের দাবির মুখে শর্তসাপেক্ষে বৃহস্পতিবার থেকে দেশের সকল মসজিদ উন্মুক্ত করা দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে যাচ্ছে ধর্ম মন্ত্রক। অর্থাৎ এরপর বাংলাদেশে বিধিনিষেধের আওতায় আর কিছুই থাকলো না। একমাত্র গণপরিবহণ ছাড়া।ধর্ম মন্ত্রক সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার জোহর থেকে দেশের মসজিদগুলো উন্মুক্ত দেয়া হচ্ছে। তবে মসজিদে জামায়াতের ক্ষেত্রে শর্ত দুইজন মুসল্লির মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। দুই কাতার পর এক কাতারের জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে।
এর আগে ২৩ এপ্রিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়, স্টাফ ছাড়া অর্থাৎ খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেমরা ছাড়া কেউ মসজিদে তারাবি নামাজ আদায় করতে পারবেন না। ঘরেই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।