যুদ্ধের পথ থেকে সরে দাঁড়ালেন ট্রাম্প,কি ভাবছে ইরাণ?

0
Trump stepped out of the war, what is Iran thinking?

★দীর্ঘ৭৮ বছর পর একমাত্র রাষ্ট্র ইরাণই মার্কিণ সেনা নিবাসের উপর উপর্যুপরি মিশাইল হানার সাহস দেখাল। ফলে শংকিত হয় পড়ে ছিল মধ্যপ্রাচ্য সহ সারা বিশ্ব আরেকাটা সাম্ভাব্য ধংশাত্মক যুদ্ধে।

★ইরাণ দাবী করেছিল, এই মিশাইল হানা আমেরিকার জন্য কেবল নমুনা মাত্র। জে.সোলাইমানির হত্যার প্রতিশোধ লক্ষ্যে এবং আমেরিকাকে মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যেতে বাধ্য করতে আরো আক্রমন চালানো হতে পারে,এমন কি সেই আক্রমন আমেরিকার অভ্যন্তরেও প্রসারিত হতে পারে।

★কিন্তু মার্কিণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিছুটা সংযম দেখালেন।তাঁর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আপাতত তিনি যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ালেন। অন্যান্য দেশের সহযোগিতার আশা করে আরো নিষেধাজ্ঞা জারীর মাধ্যমে ইরাণকে রুখার কথা ঘোষণা করলেন।

নিউজডেস্ক, টাইমস্ বাংলাঃ বুধবার ভোররাতের ইরাণী মিশাইল হামলার তেমন ক্ষয়ক্ষতির কথা অস্বীকার করার পর প্রথমবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন ডোনাল্ট ট্রাম্প। তিনি আপাতত যুদ্ধে জড়াতে চাচ্ছেন না এটা স্পষ্ট করে দিলেন। কিন্তু ইরাণ এটাকে তাদের সাফল্য বলে না ভাবলেও মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা যে এখন যুদ্ধ চালাতে অক্ষম তা মনে করছে।

ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ভাষণ দেবেন বলে ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনি পিছু হটেছেন।ট্রাম্প ইরানের ক্ষপণাস্ত্র হামলা হজম করে ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বুধবার সকালে তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার ঘোষণায় ইরানের প্রতিশোধমূলক কঠোর হামলাকে অতি সাধারণ ব্যাপার বলে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “ইরানের হামলায় কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি এবং মার্কিন ঘাঁটিরও খুব সামান্যই ক্ষতি হয়েছে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যথাসময়ে সতর্ক সংকেত বেজে ওঠার কারণে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর সেনারা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ায় তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।

ট্রাম্প এমন সময় এ দাবি করলেন যখন ইরাকের স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দু’টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি ও বহু সন্ত্রাসী সেনা হতাহত হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বুধবার ভোররাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আইন আল-আসাদে  ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮০ মার্কিন সেনা নিহত ও ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।

ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার লেঃ জেনারেল কাসেম সোলাইমানির উপর আগ্রাসী মার্কিন সেনাদের সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক হামলার কঠোর জবাব দিতে আইন আল-আসাদ ঘাঁটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয় বলে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়। জেনালের সোলাইমানিকে গত শুক্রবার ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনারা।