বাক্পটুতা নয় কর্মপটুতাই কাম্য

0

সম্পাদকীয় নিবন্ধ

মহম্মদ ঘোরী শাহ্

আপনি কি প্রত্যন্ত গ্রামের দুইটি বালকের খেলাঘর ভাঙা নিয়ে বচসা শুনেছেন? তারা পরস্পরের শারীরিক বর্ণনার বিদ্রুপ থেকে শুরু করে এবং তা পৌঁছে যায়  পিতামাতার উপর শ্লেষাত্মক বাক্যতে।তারা তো নির্বোধ বালক কিন্তু এঁরা তা নয়। এঁদের হাতে আমরা দেশের ভার তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। উপরোক্ত উপমা কতটা অভেদ তা যদি আপনি নির্বাচনী প্রচার সভাগুলো লক্ষ্য রাখেন, তা সহজেই হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশনের ওয়েব পেজের উপর নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘণের অভিযোগের ক্রমিক সারণী দেখলেই এটা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, আজকের রাজনীতিবিদদের বাক্ পটুতা কতখানি!তাঁদের প্রচার ভঙিমার বাক্য শৌষ্ঠব কালী প্রসন্নের ‘হুতোম পেঁচা’কেও ম্লান করে দেবে।

একজন পেশাদার শিল্পীকে সবসময় লক্ষ্য রাখতে হয় শিল্প রসিকদের রুচিকে।রুচি অনুযায়ী তাঁর শিল্পকর্মকে তৈরী করতে হয়। এমনটাও তো নয়,যে ভারতীয় জনগন তাদের রুচির পরিবর্তন করে ফেলেছে।তারা নির্বাচনী সভায় খেউড় শুনতেই ভালোবাসে। ক্ষমতায় থেকে কি করেছেন বা ক্ষমতায় গেলে কি করবেন, এসব শুনতে কি তাদের ভালোলাগে না?

কি করবেন তার রূপরেখা দেন। আমরা বাকপটুত্ব চাইনা, কর্মপটুত্ব চাই।আপনারা যদি এই বাকপটুত্ব যখন ভারতের বেটিরা ধর্ষিত হচ্ছিল,  পেলহুরা যখন লিঞ্চিং হচ্ছিল, নিরবরা যখন পালাচ্ছিল তখন দেখালে বড়ই কাজ হত।আজ কিসের আনন্দে এত বদলে গেলেন?

রাজনীতিরও একটা ঐতিহ্য রহেছে,সে স্বমহিমায় চলতে চায়।স্বীয় অভ্যাস দিয়ে তার উপর দাগ কাটতে যাবেন না।ভারতীয় জনগন এটা বারবার মেনে নেবে না,এটা নিশ্চিত।
গ্রাফিকস – ইন্ডিয়া টাইমস্

On the fani of the rabbit rain, a versatile poem